Responsive Ad Slot

সর্বশেষ

latest

রাজনীতি

রাজনীতি

রাজনীতি

রাজনীতি

সারাদেশ

সারাদেশ

বিনোদন

বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি

সারাদেশ

সারাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি

youtube

জাতীয়

জাতীয়

রাজশাহী

আধুনিকতার ছোয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে জোড়া গরুর হাল

কোন মন্তব্য নেই

শফিকুল ইসলাম সাগর,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

কৃষি প্রধান দেশ বাংলাদেশ। কৃষির উপর নির্ভরশীল এ দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ। ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত, দেশ-জাতি গড়ার যাদের অবিরাম সংগ্রাম তারাই চাষা, তারাই মজুর। তাদেরই রক্তে ঘামে উর্বর এই বাংলাদেশ। যেখানে এক পাশে বলদ,এক পার্শ্বে মানুষ টানছে হাল, এখন সেখানে প্রযুক্তির বাংলাদেশ। 

চাষ হচ্ছে  ট্রাক্টরে। বাংলাদেশের এ অভূতপূর্ব উন্নয়নের মুলে রয়েছে কৃষি কারিগরেরা। যাদের বিপ্লবী চেতনায় বাংলাদেশ আজ বদলে গেছে, বদলে গেছে বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশের মর্যাদা। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কৃষি বান্ধব কার্যক্রমের ফলে এখন ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র মুক্ত উন্নয়নশীল বাংলাদেশ। 

এক সময়ের কৃষি কাজে কৃষকেরা কামারের তৈরি কাঠের লাঙ্গল, জোয়াল এবং বাঁশের মই ব্যবহার করে জমি চাষাবাদ করতেন। যুগের পর যুগ ধরে কৃষিকাজে ব্যবহৃত এসব স্বল্প মূল্যের কৃষি-যন্ত্রপাতি এবং জোড়া গরু দিয়ে হালচাষ করে ফসল ফলিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন কৃষকরা। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার এই ঐতিহ্য জোড়া  গরুর হাল। কালের বির্বতনে বিজ্ঞানের ছোয়ায় নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনে এসেছে নানারকম পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে কৃষিতেও। 

কৃষি নির্ভরশীল গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা তরি-তরকারির চাষাবাদ করে থাকেন প্রতিনিয়ত। অল্প  আয় ও স্বল্প  জমির মালিকরা সবজি চাষে আগ্রহ থাকলেও চাষাবাদে গরুর হাল হর-হামেসায় না পাওয়ায় এবং পাওয়ার টিলার ও যান্ত্রিক মেশিন দিয়ে চাষ করার সুযোগ না থাকায় সবজি চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক। অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভরশীল চাষিরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের চাষাবাদে আশানুরুপ ফল পাচ্ছে। কথা হয় ধাপেরহাট ইউনিয়নের কৃষক আ: ওয়াহেদ মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, গরুর হাল না থাকায় আগের মত তরি-তরকারি চাষাবাদ করতে পারছি না। 

আজ থেকে ১০ বছর আগে তিনি খন্ড খন্ড উচু এক বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রকার তরি তরকারি চাষাবাদ করে বছরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা লাভ করত। পাওয়ার টিলার দিয়ে খন্ড খন্ড জমি চাষ কষ্টকর এবং টিলার মালিকরা জমি চাষ করতে না আসায় সময় মত তরি তরকারি আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সে কারনে তিনি তরি-তরকারি চাষাবাদ ছেড়ে দিয়েছেন। গরুর হালের মালিক আব্দুল হামিদ জানান, গরুসহ প্রতিটি উপকরনের দাম এখন অনেক বেশি। সে কারনে গরুর হাল এখন পোষায় না। শুধু মাত্র মৌসুমি তরি-তরকারি এবং বীজতলা চাষাবাদের জন্য গরুর হাল দরকার হয়।

তাই তো আর দেখা মেলেনা উপজেলার গ্রাম অঞ্চলে রোজ সকালে কৃষকের হাতে জোড়া গরুর দড়ি আর কাঁধে লাঙল-জোয়াল, মই,  নিয়ে কৃষকদের মাঠে যেতে। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য জোড়া গরু, লাঙল, জোয়াল দিয়ে হাল চাষ। 

কৃষিপ্রধান এদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জোড়া গরু, লাঙল, জোয়াল ও মই। বাংলাদেশে বিজ্ঞানের ছোয়ায় নতুন নতুন আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে গরুর হাল চাষের পরিবর্তনে বর্তমানে পাওয়ার টিলার অথবা  ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করা হয়।  ইতোপূর্বে দেখা যেত, ভোরবেলা কৃষকেরা লাঙ্গল, জোয়াল আর গরু নিয়ে যেত জমিতে হাল চাষের জন্য কিন্তু যেখানে বিজ্ঞানের নতুনত্ব আবিষ্কারই বলে দিচ্ছে দিন বদলের ইঙ্গিত। 

গাইছে পালাবদলের গান, ঠিক তখনই গরুর লাঙল দিয়ে চাষাবাদ নেই বললেই চলে। কেনইবা হবে না! এ যুগে মানুষের অসীম চাহিদা আর এখন জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে হচ্ছে জমি চাষাবাদ। 

গরু দিয়ে হাল চাষ বিলুপ্ত হওয়ায় তো কৃষকেরা এখন বর্তমানে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন আবার কেউবা কর্ম না পেয়ে রয়েছেন বেকার। কালক্রমে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গরু, লাঙ্গল, জোয়াল দিয়ে জমিতে হাল চাষ।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়: বর্তমান সরকারের কৃষি ক্ষেত্রে উদার নীতির কারনে কৃষি উৎপাদনের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ আজ ইর্ষনীয় সাফল্যের দাবিদার। সবজি উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ৩য়,মাছ ও চাল উৎপাদনে ৪র্থ, স্বাধীনতার পর থেকে উৎপাদন বেড়েছে পূর্বের তুলনায় ধান ৩ গুন, গম ২ গুন, সবজি ৫ গুন, ভূট্টা ১০গুন। পূর্বে যেখানে হেক্টর প্রতি ২টন চাউল উৎপাদন হতো, এখন সেখানে ৪ টনের বেশি চাউল উৎপাদন হয়। ধান হিসাব করলে প্রতি হেক্টরে ৬ টনের বেশি উৎপন্ন হয়। মাংস উৎপাদনে আজ স্বয়ংসম্পূর্ন বাংলাদেশ।

সীতাকুণ্ড পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিতো

কোন মন্তব্য নেই

শেখ নাদিম,চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ

২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ ঘটিকায় চট্টগ্রাম  সার্কিট হাউজে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে শপথ বাক্য পাঠ করান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ এনডিসি।

উক্ত শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমান,সীতাকুণ্ড সহকারি কমিশনার ভূমি রাশেদুল ইসলাম,সীতাকুণ্ড পৌর আওয়ামী লীগ এর সাধারন সম্পাদক এ্যাড এম এ সামাদ,তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাসুম সামজাদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সীতাকুণ্ডে ছিনতাই করতে ব্যর্থ হয়ে যুবকের উপর হামলা

কোন মন্তব্য নেই

মো:জয়নাল আবেদীন,স্টাফ রিপোর্টারঃ

আসামী ইকরাম হোসেন

চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মোঃ শাহাদাত হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের উপর হামলার অভিযোগ উঠে এসেছে।আহত যুবক সীতাকুণ্ড রয়েল গেইট এলাকায় পিতার ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশোনা করে বলে জানা গেছে।

আজ ২১ জানুয়ারি (২০২১) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় সীতাকুণ্ড উপজেলার কেএসআরএম ও রয়েল গেইট সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।এই ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানায় তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মোঃ শাহাদাত হোসেন,পিতা-মোঃ আবুল বশর,সাং নিউ রাজাপুর, কুমিরা সীতাকুণ্ড, জেলা চট্টগ্রাম।থানায় উপস্থিত হয়ে এই মর্মে অভিযোগ করতেছি যে,আমার বাবা আবুল বশর কেএসআরএম এ কন্ট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত আছে এবং আমি উনার ব্যবসা দেখাশোনা করি।আজ ২১/১/২০২১ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাত ঘটিকায় আমি কেএসআরএম থেকে নিজের অফিসে রওনা দিলে কেএসআরএম ও রয়েল গেইট সংলগ্ন এলাকায় আসামী ইকরাম হোসেন হঠাৎ আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা করে। 

প্রথমে আমার প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে আমার সাথে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এরপর না পেরে আমাকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। অতঃপর চাকু বের করে আমার হাতে,বুকে এবং সারা শরীরে মারাত্মকভাবে আঘাত করে।আশেপাশের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে  সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এরপর সে তার সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে রয়েল গেইট এলাকায় আমাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।আর প্রকাশ্যে হুমকি দেয় সে আমাকে ফেলে মেরে ফেলবে। আমাকে এখানে আর ব্যবসা বাণিজ্য করতে দিবে না।এই মুহূর্তে আমি মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।আসামী ইকরাম হোসেন,পিতা-হাসন রাজা,সাং কোটপাড়া,৯নং ওয়ার্ড কুমিরা।

অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে সীতাকুণ্ড উপজেলা ছাত্রলীগ

কোন মন্তব্য নেই

মোহাম্মদ ইউনুস,ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ

সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সীতাকুণ্ড উপজেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মুমিনুল হকের সাথে সাক্ষাৎ করেন। প্রধান শিক্ষকের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনায় শিক্ষার্থীদের টিফিন  ফি ২২৫ টাকা মওকুফের  সিধান্ত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শিহাব ও সাধারণ সম্পাদক এস এম রিয়াদ জিলানী। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া  টিফিন ফি স্কুলের  ব্যাংক একাউন্টে জমা রয়েছে, স্কুলের ক্লাস চালু হলে এই টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার ঘোষনা দেন প্রধানশিক্ষক। সীতাকুণ্ড উপজেলা ছাত্রলীগ সব সময় সাধারন শিক্ষার্থীদের পাশে আছে, থাকবে।

কোন  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে  অতিরিক্ত কোন টাকা আদায় করা হয় আমাদের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।

সূত্রঃ সময়ের দাবি নিউজ।

নাটোরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ভুমি ও গৃহ প্রদান উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

কোন মন্তব্য নেই

মনজুরুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টারঃ

নাটোরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রীর উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ভুমি ও গৃহ প্রদান উপলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে  সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ  সম্মেলনে জেলা প্রশাসক মোঃ শহারিয়াজ জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা একজন ব্যক্তি ও গৃহহীন থাকবে না। তারই অংশ হিসেবে প্রথম  পর্যায়ে সারাদেশে পরিবার প্রতি দুই শংতাংশ জমি ৬৬ হাজার ১৮৯ টি গৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।এরমধ্যে নাটোরে ৯ কোটি  ৫৪ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫৫৮টি গৃহ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।  

আগামী ২৩ জানুয়ারী প্রধান মন্ত্রী আনুষ্ঠনিকভাবে গৃহ প্রদান করবেন।সংবাদ সম্মেলনে নাটোরের ডিডিএলজি  গোলাম রাব্বি, এডিসি রেভিনিউ আশরাফুল ইসলাম , অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রহিমা খাতুন সহ জেলার কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট টেলিভিশন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক জানান, ৫৫৮টি গৃহ ছাড়াও সংসদ সদস্যগণ ও জেলা পরিষদের মাধ্যমে আরো ৯০টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি সময়েরদাবি ডট কমকে জানাতে ই-মেইল করুন- news@shomoyerdabi.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
© সময়ের দাবি (২০১৯-২০২০)
made with Antor Mittro