Responsive Ad Slot

সর্বশেষ

latest

রাজনীতি

রাজনীতি

রাজনীতি

রাজনীতি

সারাদেশ

সারাদেশ

বিনোদন

বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি

সারাদেশ

সারাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি

youtube

জাতীয়

জাতীয়

রাজশাহী

১০দিনের রিমান্ড শেষে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদকে সাতক্ষীরা কারাগারে প্রেরণ

কোন মন্তব্য নেই
আহসান উল্লাহ বাবলু, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি-
১০ দিনের রিমান্ড শেষে সাহেদ করিমকে সাতক্ষীরা আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বেলা এগারটার দিকে কড়া নিরাপত্তা প্রহরায় তাকে সাতক্ষীরার আমলী আদালত-৩ এ নেয়া হয়। বিচারক রাজীব রায় তাকে সাতক্ষীরা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরআগে রিমান্ডের চতুর্থ দিনে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে ২৯ জুলাই খুলনার র‌্যাব কার্যালয় থেকে তার গ্রেপ্তারস্থল সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী শাখরা-কোমরপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া যায়। বিকেলে তাকে লাবণ্যবতি নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজের ওপর মিনিট দশেক রাখা হয়। পরে তাকে আবারো খুলনায় র‌্যাব-৬ এর সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডের প্রাপ্ত তথ্য না জানানো হলেও দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সাহেদ করিম মাঝে মাঝে খুব ক্ষ্যাপাটে আচরণ করছেন। আবার কখনো কখনো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছেন। তবে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে সাতক্ষীরায় তার অবস্থান ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি তথ্য দিয়েছেন।

এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের এসআই রেজাউল ইসলাম জানান, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তবে অধিকতর তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা সমীচীন হবেনা।
দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্তে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার হওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত রোববার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সাতক্ষীরার আমলী আদালত-৩ এর বিচারক (ভার্চুয়াল) রাজীব রায়।

 মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা খুলনা র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপপরিদর্শক রেজাউল করিমের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন শুনানী শেষে এ আদেশ দেন। পরের দিন সোমবারই তাকে ঢাকা থেকে খুলনা র‌্যাব কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে ১৫ জুলাই বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্তের লাবন্যবতী নদীর উপর নির্মিত বেইলী ব্রীজ এর নীচ থেকে সাহেদকে বোরখা পরিহিত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। 

এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। 

ওই দিন রাতে র‌্যাব-৬ এর সিপিসি-১ এর ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৯৭৮ সালের আর্মস অ্যাক্টের ১৯-এ উপধারা এবং ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ এর বি/এ ধারায় দেবহাটা থানায় একটি মামলা(৫নং) করেন। মামলায় সাহেদ করিমসহ তিনজনকে আসামী করা হয়।

কুষ্টিয়ার মহা প্রতারক কেটিসির হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলামের দূর্নিতী শীর্ষে

কোন মন্তব্য নেই
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
সারা বাংলাদেশের বহুল আলোচিত প্রতারনার গডফাদার সাহেদকেও হারমানিয়ে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে কুষ্টিয়া ( কৃষক সমবায় সমিতি)কেটিসির হিসাব রক্ষক ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের সেখ মাহাতাব উদ্দিনের পুত্র সেখ মনিরুল ইসলামের বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। 

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কেটিসির সরকারি জমি দালাল মারিফতে বিক্রয় করে ১০% সরকারকে দিয়ে বাদ বাকি ৯০% নিজে আত্মসাধ করে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাধ করে নিচ্ছে মনিরুল ইসলাম। 

কুষ্টিয়া শহরের বড় বাজার আশরাফ ফ্লাওয়ার মিলস সংলগ্ন প্রায় ২৬ শতক সরকারি জমি,বিআরবি হাসপাতালের সামনে রাস্তার অপজিটে ৫১ শতক সরকারি  জমি, বৃত্তিপাড়া বাজার সংলগ্ন তেল পাম্পের সামনে ১৭ শতক সরকারি জমি মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করেছেন তিনি। যার ১০% মুল্যের টাকা কেটিসির অফিসে সরকারি ফান্ডে জমা করে বাদ বাকি ৯০% টাকা নিজে আত্মসাৎ করছেন। 

এ ছাড়া উজানগ্রাম ইউনিয়নের দূর্বাচারা গ্রামের কেটিসির সদস্য  তার আপন মামাতো, চাচাতো, খালাতো এবং নিজের আপন বোনের  নামে বেনামে মৃত ব্যাক্তিকে জিবীত দেখিয়ে এবং জীবিত ব্যাক্তিকে মৃত দেখিয়ে তাদের ভোটার আইডি কার্ড নকল করে কৃষি ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখা থেকে ঋন নিয়ে সদস্যদের অজান্তেই সেই টাকা আত্মসাধ করে বর্তমানে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি। 

তিনি কেটিসির হিসাব রক্ষক হিসেবে প্রতিমাসে বেতন পান মাত্র ২৫ হাজার টাকা কিন্তু পাশাপাশি প্রতারনার ব্যবসা করে আলিশান বাড়ি করেছেন যার মূল্য প্রায় কোটি টাকা।
এ ছাড়াও তার নিজের নামে বারুইপাড়া মাঠে ৭ বিঘা,দূর্বাচারা ভালুকগারা মাঠে ৮ বিঘা, দূর্বাচারা মাঠে ১০ বিঘা জমি ক্রয় করে রেখে দিয়েছেন তিনি যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। তিনি সামান্য ২৫ গাজার টাকা বেতনে চাকুরী করে কিভাবে এত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন এ নিয়ে এলাকার সাধারন মানুষের মুখে নানান ধরনের গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। তার পিতার এমন কোন সহয় স্বম্বল এবং মাঠাম সম্পত্তি না থাকলেও সরকারি সম্পত্তি বিক্রয় ও মানুষদের সাথে প্রতারনা করে  বর্তমানে এই অবৈধ সম্পদ তিনি গড়েছেন বলে স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়।

কেটিসির এজিএমের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত মে ২০২০ ইং তারিখের মাসের বাৎসরিক  হিসাবে জামানত বাবদ প্রায় ৫ কোটি টাকার কোন হুদিস পাইনায় অফিস কতৃপক্ষ এবং সেই লোপাট হওয়ার প্রমান পেয়েছেন অফিস কতৃপক্ষ কেটিসির হিসাব রক্ষক মনিরুল ইসলাম এবং অফিস নির্বাহীর বিরুদ্ধে। যা ৩০ জুনের মধ্যে পুরো টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলেও আগষ্ট পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্তকোন টাকা পরিশোধ করেনি মনিরুল ইসলাম। মনিরুল তার অফিসের জামানতের টাকা আত্মসাধ এবং সদস্যদের সাথে প্রতারনা করার কারনে খুলনা বিভাগীয় পর্যায় থেকে তার বিরুদ্ধে দূর্নিতী মামলাও হয় । 
এ ছাড়া নিজ জন্মভূমি দূর্বাচারাতে নিজের আপন চাচাতো ভাই, আজিজুর রহমান,আইবুর রহমান,আবু তালেব,আব্দুর রহিম,আক্তারুজ্জামান,কামরুজ্জামান উভয় পিতা মৃত মুনছুর  আলী সেখ সাং দূর্বাচারা এবং খালাতো ভাই লাবু পিতা মৃত গনির উদ্দিন সেখের নিকটও প্রতারনা করে তাদের নামের ভোটার আইডি কার্ড নকল করে কৃষি ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখার ব্যাংকের ম্যানেজারের সাথে আতাত করে  প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে আত্মসাধ করেন তিনি। পরবর্তীতে ব্যাংক থেকে ঋন গ্রহীতাদের নামে টাকা পরিষোধের চুরান্ত লাল নোটিশ গেলে তারা জানতে পারে তাদের নামে ব্যাংক থেকে মনিরুল প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে ঋন গ্রহন করেছে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখ আজিজুর রহমান পিতা সেখ মুনছুর আলীর চাপের মুখে পরে তার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয় মনিরুল। এ ছাড়া দূর্বাচারা এলাকার সাত্তার মুন্সীর ছেলে পলো মুন্সীর নাম ব্যবহার করে তাকে না জানিয়ে টাকা ঋন নেওয়ার অভিযোগে মনিরুলের নামে বাদি হয়ে মামলা করে ছিলেন পলো মুন্সী। শুধু তাই নয় দূর্বাচারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের সময় বিদ্যালয়ের ম্যনিজিং কমিটির সভাপতি লাবলুর সাথে আতাত করে মনিরুল পাংশা থেকে ফকর উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তির নিকট থেকে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তোপের মুখে পড়ে নিয়োগ দিতে ব্যার্থ হয় তিনি। সর্ব জায়গা প্রতারনা করার পর নিজ এলাকায় কুরবানী ঈদে গরু বিক্রয় করে দেওয়ার নাম করে এলাকার অসহায় গরু ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে গরুর দাম ঠিকঠাক করে ১৮ জনের নিকট থেকে গরু নিয়েছে তিনি কিন্তু  ঈদ পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কাউকে গরুর কোন টাকা পরিশোধ করেননি তিনি। গরুর টাকা না পেয়ে খুবই মানবেতর জীবন পার করছে  দূর্বাচারা এলাকার অসহায় গরু ব্যবসায়ীরা। এলাকাবাসী অভিযোগ করে আরও বলেন, মনিরুল ইসলাম দূর্বাচারা বাজারে তার ৩ শতক জমি তিন জনের থেকে দূর্বাচারা এলাকার আতিয়ার মোল্লার নিকট থেকে ৩ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা রেজাউল হোসেনের নিকট থেকে ৩ লক্ষ টাকা এবং  মজনুর নিকট থেকে  ২ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা গ্রহন করে জমি দেওয়ার কথা থাকলেও আজও অবদি কারও নামে তিনি জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়নাই।

 এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আতিয়ার মোল্লার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মনিরুল আমার নিকট থেকে জমি দেওয়ার নাম করে ৩ লক্ষ টাকা নিয়েছে। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি আমি ছাড়াও আরও ২ জনের নিকট থেকেওজমি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে তিনি কিন্তু কারও নামে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়নাই  কারন মনিরুল একজন বড় ধরনের প্রতারক তার কাছে জমি কেনার টাকা দিয়ে আমি সর্বশান্ত হয়ে গেছি আমি এই দূর্নিতীবাজ প্রতারকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি করছে আইনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে। 

এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার রিয়াজুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমি যোগদানের পূর্বে এমন ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগীরা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আমার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলো ফিল্ড অফিসার আবু তালেব, বর্তমানে আবু তালেব রিটারেট করেছেন । 

আমি উপর মহলে মনিরুল এবং আবু তালেবের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন জমা দিয়েছি। এ ব্যাপারে সাবেক ফিল্ড অফিসার আবু তালেবের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মনিরুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত মূঠোফোনে বারবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পার্বতীপুর উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী শামীম আক্তার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

কোন মন্তব্য নেই
চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি-
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী শামীম আক্তার নিজেই করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে নিশ্চিত করেছেন। 

নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। তিনি বর্তমানে দিনাজপুরে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। 

তিনি জানান, জ্বর ও শরীর ব্যাথায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে চিকিৎসা নেন তিনি। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নমুনা পরীক্ষা করান। গতকাল  পরীক্ষার রিপোর্টে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। বর্তমানে শারীরিক অবস্থা কিছুটা ভালো বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রকৌশলী শামীম আক্তার বলেন, সাত দিন ধরে জ্বর থাকাতে করোনা টেস্ট করা হলে গতকাল পজেটিভ রিপোর্ট আসে। তিনি বাড়িত আইসোলেশনে আছেন, বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

সূত্রে জানা যায় মনবতার সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।  ছুটে চলেন অসহায় জনের পাশে।  ভেদাভেদ ভুলে সকলকে সহযোগিতা করতে গিয়ে তিনি এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

নেত্রকোনার মদনে নৌকা ডুবে ১৭ জনের মৃত্যু

কোন মন্তব্য নেই
সারাদেশ ডেস্কঃ
মিনি কক্সবাজার নামে খ্যাত নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পর্যটনকেন্দ্র উচিতপুরের হাওরে ঘুরতে এসে নৌকাডুবিতে ১৭ জনের মৃত্যু গয়েছে। এদের মধ্যে দুটি কন্যাশিশু ও বাকিরা পুরুষ।

বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উচিতপুরের সামনের হাওর গোবিন্দশ্রী রাজালী কান্দা নামক স্থানে এঘটনা ঘটে। কন্যাশিশু দুটির পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো লুবনা আক্তার (১০) ও জুলফা আক্তার (৭)। এরা সহোদরা এবং চরশিতা ইউনিয়নের ওয়ারেছ উদ্দিনের মেয়ে। বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ময়মনসিংহ সদর থানার ৫ নম্বর চরশিরতা ইউনিয়ন ও আটপাড়া তেলিগাতী থেকে ৪৮ জন ঘুরতে মিনি কক্সবাজার উচিতপুরে আসে। পরে ঘুরতে গেলে হাওরের উত্তাল ঢেউয়ে গোবিন্দশ্রী রাজালীকান্দা নামক স্থানে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে ১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ওসি মো. রমিজুল হক জানান, মদন হাওরে নৌকা ডুবিতে ১৭টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ৩১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, তারা সবাই ভালো আছেন।


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা মেয়র নাছির উদ্দীন

কোন মন্তব্য নেই
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : আরিফুল হাসান
চট্টগ্রাম: {২০২০-২১} অর্থবছরের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের {চসিক} ২ হাজার ৪৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।  

মঙ্গলবার {৪ আগস্ট} চট্টগ্রাম ক্লাব হল রুমে চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের শেষ বাজেট ঘোষণা করেন।

এ সময় তিনি নগরের অতীত-বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত প্রদানকালে প্রস্তাবিত বাজেটের রূপরেখা তুলে ধরেন।  

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আরো বলেন,আমাদের কাছে নগরবাসীর প্রত্যাশা অনেক, তাই তাদের যত অভিযোগ ও অনুযোগ এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি।

 পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন একটি মেগাসিটি, স্মার্ট সিটি, নির্মল শহর, নির্মল পরিবেশ বান্ধব শহর নগরবাসীর প্রত্যাশা।

সামর্থ্যের মধ্যে সেই প্রত্যাশা পূরণে চসিক নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, স্বীকার করতে হয় চসিকের যতটুকু সদিচ্ছা আছে ততটুকু আর্থিক সক্ষমতা নেই।

তাই আর্থিক সক্ষমতা ছাড়া নগরবাসীর শতভাগ প্রত্যাশা পূরণ করা যায় না।

আর্থিক সক্ষমতা না থাকাতে পৌরকরের ওপর নির্ভর করে সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হয়, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হলে সিটি করপোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে, এটা করতে হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যে সুযোগ আছে সেটা গ্রহণের বিকল্প নেই।  

সে কারণেই আইনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে পৌরকর পুনর্মূল্যায়ন করতে চেয়েছিলেন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, কিন্তু এটা করতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছি এবং প্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে। 

এতে চট্টগ্রামই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যদি আমি সফল হতাম, তাহলে বর্তমানে যে রাজস্ব আদায় হচ্ছে তা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি হয়ে যেত- ফলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা সহজ হতো।  

এ নগরেই আমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা, এখানেই আমার অস্তিত্ব ও বসবাস, স্বাভাবিকভাবেই জন্মভূমির প্রতি সবার আকর্ষণ ও দুর্বলতা থাকে, আমিও ব্যতিক্রম নই দায়িত্ব দায়বদ্ধতার প্রতি আমি শতভাগ অনুগত, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে আমৃত্যু  মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই। 

তাই এই নগরবাসীর সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও থাকবো, কারণ আমি এই নগরবাসীর কাছে অনেক বেশি ঋণী- এ ঋণ শোধ করার চেষ্টায় থাকবো সর্বক্ষণ। 

মেয়র হিসেবে আমার মেয়াদের এ শেষ দিনে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি চির ঋণী হয়ে থাকার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করছি-কেননা গত মেয়র নির্বাচনে তিনি আমাকে মেয়র পদে সমর্থন দিয়েছিলেন। 

আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি প্রিয় নগরবাসীর কাছে, যারা আমাদের পরিষদকে এই নগরের নাগরিক সেবা ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।  

তিনি চসিকের অভিভাবক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ উন্নয়নকাজের দাতা সংস্থা, সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি স্থানীয় রাজনৈতিক, পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব এবং গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তারা আমার পথ চলার সারথী ও সাথি-তাদের সঙ্গে আমার বন্ধন কখনো ছিন্ন হবে না, বরং সুদৃঢ় হবে।  

এর আগে চসিকের {২০১৯-২০} অর্থবছরে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৯৩ লাখ ৮২ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেট সাধারণ সভায় পাস করা হয়।

বাজেট অধিবেশন পরিচালনা করেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সামসুদ্দোহা- এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্যানেল মেয়র {চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী} {জোবাইরা নার্গিস খান} প্রফেসর {ড. নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু} অর্থ ও সংস্থাপন কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর {মোহাম্মদ হোসেন হিরন} চসিক কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, চসিক সচিব
 {আবু শাহেদ চৌধুরী} প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল {সোহেল আহমেদ}  প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা {মুফিদুল আলম} প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা {সুমন বড়ুয়া} স্পেশাল ম্যাজেস্ট্রেট যুগ্ম জেলা জজ {জাহানারা ফেরদৌস} নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  {মারুফা বেগম নেলী} মেয়রের একান্ত সচিব {মোহাম্মদ আবুল হাশেম} রাজস্ব কর্মকর্তা {সাহেদা বেগম} প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা {ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী} প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা {মো: সাইফুদ্দিন} অতিরিক্ত প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা {মো: হুমায়ুন কবিরসহ} বিভাগীয় ও শাখা প্রধানরা।

© সময়ের দাবি (২০১৯-২০২০)
made with Antor Mittro